স্কুল থেকে বৃদ্ধাশ্রমে ঘুরতে গিয়ে মেয়েটি খুঁজে পেল তার হারানো দাদীকে!

একদিন স্কুল থেকে ভ্রমণের জন্য একটা বৃদ্ধাশ্রমে গিয়েছিল দিতি নামের এই মে’য়েটি। অকল্পিত ভাবে সে’ইখানে তখন সে তার আপন দাদুকে খুঁজে পায়। দাদিমাকে বুকে জড়িয়ে ধরে কা’ন্নায় ভেঙে পড়ে মে’য়েটি।

মা বাবাকে সেই ছোট থেকেই দে’য়ালে পেরেক দিয়ে আটকানো ধুলো মাখানো ছবিটা দেখে অ’নেকবার জিজ্ঞেস করেছিল মেয়েটি তার দাদুর কথা। উত্তরে মা বাবা জা’নিয়েছেন তার দাদু অন্য রি’লেটিভদের সাথে থাকেন।

মেয়েটি অনেক বার ব’লেছিল দাদুকে দেখবে কিন্তু তার মা বাবা তাকে নিয়ে যায়নি। স্কুল ট্রিপে এসে মেয়েটি যখন ঘো’লাটে চশমায় বা’রান্দায় হেলান দিয়ে বসে থাকা বৃদ্ধাকে দেখে তার ফ্রেমে আ’টকানো ছবিটার সাথে মিল খুঁজে পায়।

দৌড়ে গিয়ে দা’দিমাকে জড়িয়ে ধরে মেয়েটি । দাদিমা তার নাতনির প’রিচয় পেয়ে ঘোলাটে চশমাটা খুলে চোখ ঢলতে ঢলতে না’তনিকে বুকে জড়িয়ে নেয়। আমার ছেলের এতো বড় আ’লিশান ফ্লাটে আমার জায়গা হয়নি।

বৌমাও আ’মাকে স’হ্য করতে পারতো না। আমি তো বু’ড়িয়ে গেছি তাইনা! তোর বাবাকে আমি কত কষ্ট করে মানুষ করেছি, কখনও বি’ন্দুমাত্র অ’ভাবের আচড় লা’গতে দেয়নি। নিজে কষ্টে থেকে তাকে সবসময় ভাল জা’য়গায় রেখেছি।

তাকে বলেছিলাম বড় হয়ে আ’মাকে ভুলে যাসনে। কিন্তু বুঝতে পারিনি সে এতো বড় হয়ে যাবে। একদিন স্কুল থেকে ভ্র’মণের জন্য একটা বৃ’দ্ধাশ্রমে গিয়েছিল দিতি নামের এই মেয়েটি। অ’কল্পিত ভাবে সেইখানে তখন সে তার আপন দাদুকে খুঁজে পায়।

দা’দিমাকে বুকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে মেয়েটি। মা বা’বাকে সেই ছোট থেকেই দেয়ালে পেরেক দিয়ে আটকানো ধুলো মাখানো ছবিটা দেখে অনেকবার জি’জ্ঞেস ক’রেছিল মেয়েটি তার দাদুর কথা।

উত্তরে মা বাবা জানিয়েছেন তার দাদু অন্য রিলেটিভদের সাথে থাকেন। মেয়েটি অনেক বার বলেছিল দা’দুকে দেখবে কিন্তু তার মা বাবা তাকে নিয়ে যায়নি। স্কুল ট্রিপে এসে মেয়েটি যখন ঘোলাটে চশমায় বারান্দায় হেলান দিয়ে বসে থাকা বৃদ্ধাকে দেখে তার ফ্রেমে আটকানো ছ’বিটার সাথে মিল খুঁজে পায়।

দৌড়ে গিয়ে দা’দিমাকে জড়িয়ে ধরে মেয়েটি । দাদিমা তার নাতনির পরিচয় পেয়ে ঘোলাটে চশমাটা খুলে চোখ ঢলতে ঢলতে নাতনিকে বুকে জড়িয়ে নেয়। আমার ছেলের এতো বড় আ’লিশান ফ্লাটে আমার জায়গা হয়নি। বৌ’মাও আমাকে সহ্য করতে পারতো না। আমি তো বুড়িয়ে গেছি তাইনা!

তোর বাবাকে আমি কত কষ্ট করে মানুষ করেছি, কখনও বি’ন্দুমাত্র অ’ভাবের আচড় লাগতে দেয়নি। নিজে কষ্টে থেকে তাকে সবসময় ভাল জা’য়গায় রেখেছি। তাকে বলেছিলাম বড় হয়ে আমাকে ভুলে যাসনে। কিন্তু বুঝতে পারিনি সে এতো বড় হয়ে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *