আসুন জেনে নেই লিচু ফল আমাদের কি কি উপকার করে

ফলের রাজা হিসেবে আমরা আম বুঝলেও চীনে কিন্তু রাজা পরিবর্তন হয়েছে। তারা ফলের রাজা হিসেবে এগিয়ে রাখে লিচুকে। চীনের বিভিন্ন সংস্কৃতিতে লিচুর প্রচুর ব্যবহার এর একটি কারণ হলেও, লিচুর অসাধারণ সব গুণ জানলে এটিকে ফলের রাজা হিসেবে মানতে আপনার কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে আসুন চীনের ফলের রাজার কিছু অজানা গুণ সম্পর্কে জেনে আসি।লিচুতে প্রচুর ফাইবার এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকে। যা মেটাবলিজম বা বিপাক ক্রিয়া বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। মেটাবলিজম শক্তি কম হলেই মানুষের

আসুন জেনে নেই আম আমাদের কি কি উপকার করে

গরম এসে গেছে আর এখনই কাঁচা আমের মৌসুম। আমরা জানি আমকে বলা হয় ফলের রাজা। সব বয়সের মানুষই পাকা আম পছন্দ করে এবং অন্য যেকোন ফলের চেয়ে এই ফলটি বেশিরভাগ মানুষ পছন্দ করে। কিন্তু কাঁচা আমের স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা জানলে আপনি বুঝতে পারবেন কাঁচা আম খাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা। কাঁচা আমের গন্ধে মন ভরে যায় সতেজতায়। চাষের ধরণ অনুযায়ী আম বিভিন্ন আকার আকৃতির হয়ে থাকে। আসলে আমের বিভিন্ন রকম ১০০০টি প্রজাতি আছে। স্কুলের বাচ্চাদের ও অনেক

আসুন জেনে নেই তেঁতুল আমাদের কি কি উপকার করে

তেঁতুল পছন্দ করে না এমন মানুষ পাওয়া খুব কঠিন। বিশেষ করে তরূণীদের খাবারের তালিকায় উপরের দিকেই পাওয়া যায় এর নাম। তবে অনেকেরই ধারণা তেঁতুল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং তেঁতুল খেলে রক্ত পানি হয়। এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বরং তেঁতুলে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি ও ভেষজ গুণ। তেঁতুল দেহে উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদরোগীদের জন্য খুব উপকারী। আসুন জেনে নেই টকের আধার হিসেবে খ্যাত তেঁতুলের কিছু অজানা উপকারিতা।দেখা গেছে তেঁতুল খুবই হার্ট ফ্রেন্ডলি। এতে উপস্থিত ফ্ল্যাভরনয়েড

আসুন জেনে নেই টমেটো আমাদের কি কি উপকার করে

রান্নায় এই সবজিটির ব্যবহার বাঙালিরা প্রায়ই করেই থাকেন। কিন্তু কাঁচা টমেটো খাওয়ার অভ্যাস সচরাচর খুব একটা চোখে পরে না। কিন্তু একথা বলতে দ্বিধা নেই যে রান্নার পরিবর্তে যদি কাঁচা অবস্থায় নিয়মিত ২-৩ টা করে টমেটো খাওয়া যায় তাহলে দারুন উপকার মেলে। কাঁচা ও সবুজ টমেটোতে টমাটিডিন নামের উপাদানের পরিমাণ পাকা টমেটোর চেয়ে বেশি। টমাটিডিন মাংসপেশির সামর্থ্য বাড়ায়, হাড়কে সবল ও সুস্থ রাখে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। কাঁচা টমেটোতে ভিটামিন সি এবং ই-এর পরিমাণও বেশি। এ

আসুন জেনে নেই শিম আমাদের কি কি উপকার করে

শিম শীতকালের একটি জনপ্রিয় সবজি। বাংলাদেশের প্রায় সব এলাকায় কম বেশি শিমের চাষ হয়ে থাকে। শিম শুধু রসনাবিলাসেই নয়, নানাবিদ পুষ্টিগুণেও কার্যকর। শিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ও মিনারেল থাকে। শিমের বিচি শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে। যাঁরা মাছ, মাংস খান না, তাঁদের জন্য শিমের বিচি শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে পারে। শীতে নিয়মিত শিম খেলে ত্বকও ভালো থাকে। শিম শরীর ঠান্ডা রাখে এছাড়া পরিপাকের জন্য খুব ভালো। শিমে ক্যালোরির পরিমাণও বেশ কম। আসুন আজ আমরা

আসুন জেনে নেই বেগুন আমাদের কি কি উপকার করে

বেগুন আমাদের কাছে অতিপরিচিত একটি সবজি । বর্ষার দিনে খিচুড়ির সঙ্গে বেগুন ভাজা অথবা সাদা ভাতের সঙ্গে ঝাল ঝাল বেগুন ভর্তা খেতে পছন্দ করেন না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তরকারি হিসেবেও বেগুন খুবই উপকারী। পুষ্টিগুণের দিক থেকেও বেগুন অনন্য। বেগুনে রয়েছে উচ্চমাত্রার আঁশ-জাতীয় খাদ্য উপাদান। যা বদ হজম দূর করে। বেগুন আরো রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি, শর্করা, চর্বি, আমিষ, আয়রন। বেগুন এর উদ্ভিজ্জ আমিষ শরীরের হাড়কে শক্তিশালী করে। তাহলে চলুন জেনে নেই বেগুনের গুনাগুন

আসুন জেনে নেই ছোলা আমাদের কি কি উপকার করে

আপনি জানেন কী সারাবছর ছোলা খাওয়া যেতে পারে। ছোলা পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। জেনে রাখা ভালো ছোলায় রয়েছে নানা ধরনের পুষ্টিগুণ, যা আপনার শরীরে শক্তি বৃদ্ধিতে আমিষের কাজ করে। কাঁচা ছোলা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে খোসা ছাড়িয়ে বা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে তা অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। তাই সকালে খালিপেটে ছোলা খেতে পারেন। আসুন জেনে নেই কেন খাবেন কাঁচা ছোলা? ডায়াবেটিস : ছোলায় শর্করা বা কার্বহাইড্রেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। একারণে তা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য

আসুন জেনে নেই খেজুর আমাদের কি কি উপকার করে

হাজার হাজার বছর পূর্বে যখন খেজুর আবিষ্কৃত হয় তখন থেকেই তা নিরাময় ক্ষমতা সম্পন্ন বলে পরিচিত। পরবর্তীতে বিজ্ঞানসম্মত ভাবেও তা প্রমাণিত হয়। এই ফলটি অত্যন্ত সুস্বাদু বলে বেশীরভাগ মানুষ এটি খেতে পছন্দ করেন। আমাদের দেশে রোজার সময় ইফতারিতে খেজুর খাওয়া হয়। খেজুর অনেক পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক খেজুরের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা। খেজুর, আরবিতে যাকে বলা হয় তুমুর। সৌদি আরবে রয়েছে নানা জাতের খেজুর। নামও বিভিন্ন। যেমন আজওয়া, আনবারা, সাগি, সাফাওয়ি,

আসুন জেনে নেই রোজায় সুস্থ রাখবে যে খাবার গুলো

রোজার মাসে যতটা সম্ভব সাধারণ ও স্বাভাবিক খাবার থাকা উচিত। যদিও সারাদিনের রোজার পর ইফতারে অনেক কিছুই খেতে ইচ্ছে করে।তবে ভাজাপোড়া ও ভারী খাবার খেলে পেটের সমস্যা, মাথাব্যথা, দুর্বলতা, অবসাদ, আলসার, অ্যাসিডিটি, হজমের সমস্যা ইত্যাদি হতে পারে। অনেকের ওজনও বেড়ে যায়।তাই সুস্থ শরীরে ও দেহের ওজন না বাড়িয়ে পুরো রোজার মাস ভালো থাকার জন্য একটা ব্যালেন্স ডায়েট বা সুষম খাবারের দরকার।রোজায় শরীরকে হাইড্রেট রাখতে প্রচুর পানি, মৌসুমি ফল ও সবজির জুস বা স্মুদি এই ধরনের

রোজা থেকে জেসব খাবার খাওয়া উচিত নয়

সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের ক্লান্তি কাটাতে কিছুটা রুচিকর খাবারের দরকার আছে। কিন্তু অনেক সময়েই রুচিকর খাবারের নামে আয়োজনটা অনেকটা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যায়। আমরা ভুলে যাই রোজার উদ্দেশ্য ও দর্শন। বরং কখনো এমন সব খাবারের আয়োজন করি যা কোনোভাবেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়।  প্রক্রিয়াজাত ফুড এবং জাংক ফুড হোয়াইট ফুড : এ ধরনের খাবার রোজার সময় এড়িয়ে চলাই বাঞ্ছনীয়। প্রক্রিয়াজাত মাংস স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। সসেজ, নাগেটস, প্যাটি ইত্যাদি সবই প্রক্রিয়াজাত মাংস। এসব মাংসে থাকে উচ্চমাত্রার